বাংলা ভিউ ডেস্ক : সিলেট বিভাগের শমসেরনগর বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সিলেট বিভাগের একটিসহ দেশের ৮টি বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
বন্ধ থাকা বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে রয়েছে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার শমসেরনগর বিমানবন্দর, বগুড়া বিমানবন্দর, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর, লালমনিরহাট বিমানবন্দর, কুমিল্লা বিমানবন্দর ও পটুয়াখালী বিমানবন্দর।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে বাংলাদেশ এভিয়েশন ট্যুরিজম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, বর্তমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণক্ষমতা ১৩ মিলিয়ন। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে তা বেড়ে ১৯ মিলিয়নে উন্নীত হবে। এর ফলে বিমানবন্দরের সেবার মান ও আয় দুটিই বৃদ্ধি পাবে।
শমসেরনগর বিমানবন্দর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি :
বিএএফ স্টেশন শমশেরনগর[বা বিএএফ স্টেশন মৌলভীবাজার (আইএটিএ: ZHM, আইসিএও: VGSH) যা শমশেরনগর বিমানবন্দর নামেও পরিচিত, বাংলাদেশেরসিলেট বিভাগের শমশেরনগরে অবস্থিত একটি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিমানবন্দর।
এটি মৌলভীবাজার থেকে ১৭ কিলোমিটার (১১ মাইল) দূরে অবস্থিত। ২০১৫ সালের জুলাই পর্যন্ত কোনো যাত্রীবাহী বিমান এখানে না চললেও বেসামরিক বিমান কার্যক্রমের অনুমতি আছে।
সিলেট বিভাগের শমসেরনগর বিমানবন্দর (আইসিএও: VGSH) মূলত একটি ঐতিহাসিক বিমানঘাঁটি। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে, তবে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার পর এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল: ১৯৪৩-৪৫ সালের দিকে ব্রিটিশরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি নির্মাণ করে। ঐতিহাসিক ছবিগুলোতে দেখা যায়, চা বাগানের মাঝে সুবিশাল ৬২২ একর জায়গাজুড়ে এই রানওয়ে ও ঘাঁটির বিস্তৃতি।
- কিলো ফোর্স: ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম বিমান যুদ্ধ ইউনিট “কিলো ফোর্স” এই বিমানবন্দরটিকে তাদের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছিল।
- শমসেরনগর বধ্যভূমি ও রানওয়ে: বিমানবন্দর এলাকার ভেতরের ছবিগুলোতে সবুজ চা বাগানের মাঝে দীর্ঘ রানওয়ে, ব্রিটিশ আমলের স্থাপনা এবং ১৯৭১ সালের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন নিদর্শন লক্ষ্য করা যায়।